স্বদেশ-বিদেশ


স্বদেশ

ঢাকা সিটি কর্পোরেশন দু’ভাগে বিভক্ত; উত্তর ও দক্ষিণের দু’জন প্রশাসক নিয়োগ

অবশেষে ঢাকা সিটি কর্পোরেশনকে ঢাকা-উত্তর এবং ঢাকা-দক্ষিণ নামে দু’ভাগে বিভক্ত করা হয়েছে। গত ২৯ নভেম্বর জাতীয় সংসদে এ সংক্রান্ত বিল মাত্র সাড়ে ৪ মিনিটে পাস হয়েছে। সেই সাথে ঢাকা সিটি কর্পোরেশনকে বিলুপ্ত ঘোষণা করে ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠানের কথা বলা হয়েছে। বিভক্ত ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের দুই অংশে দু’জনকে প্রশাসক হিসাবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। ঢাকা-দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক হিসাবে গত ৪ ডিসেম্বর নিয়োগ পেয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব খলীলুর রহমান এবং ঢাকা-উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসকের দায়িত্ব পেয়েছেন জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর মহাপরিচালক খোরশেদ আলম চৌধুরী। এ দু’জন প্রশাসককে নিয়োগ দেয়ার পরপরই দুই নগর প্রশাসনে ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন করতে নির্বাচন কমিশনকে ঐ দিন দুপুরে চিঠিও দিয়েছে সরকার। তবে নির্বাচন কমিশন সাফ জানিয়ে দিয়েছে, এত স্বল্প সময়ে তারা বিভক্ত ডিসিসির নির্বাচন করতে পারবে না। ফলে সরকারের তরফ থেকে বলা হয়েছে, নতুন নির্বাচন কমিশনের অধীনে বিভক্ত ডিসিসির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

সরকারের প্রতি হাইকোর্টের রুল : ঢাকা ভাগ করে সংসদে পাস হওয়া আইন কেন অবৈধ ও সংবিধান পরিপন্থী ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চেয়ে সরকারের প্রতি রুল জারী করেছে হাইকোর্ট। বিচারপতি ফরীদ আহমাদ ও বিচারপতি শেখ হাসান আরিফের সমন্বয়ে গঠিত ডিভিশন বেঞ্চ গত ৩০ নভেম্বর এ রুল জারী করে। আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। ঢাকার বিদায়ী মেয়র সাদেক হোসেন খোকার এক রিট আবেদনের শুনানী শেষে হাইকোর্ট এ আদেশ দেন। এদিকে ঢাকা সিটি কর্পোরেশনে (ডিসিসি) অনির্বাচিত ব্যক্তিকে প্রশাসক নিয়োগের বৈধতাকে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে অন্য আরেকটি রিট আবেদন করা হয়েছে। গত ১২ ডিসেম্বর সুপ্রিম কোর্টের চারজন আইনজীবী রিযওয়ান আহমাদ রানজীব, ব্যারিস্টার সামীউল হক চৌধুরী, মুহাম্মাদ রিযওয়ান-ই খুদা ও জাবেদ ইসলাম এই রিট আবেদন দায়ের করেন।

দুর্নীতিতে এবার বাংলাদেশ ১৩তম

বার্লিনভিত্তিক আন্তর্জাতিক সংস্থা ‘ট্রান্সপারেন্সী ইন্টারন্যাশনাল’ (টিআই)-এর ২০১১ সালের প্রতিবেদন অনুযায়ী, দুর্নীতিগ্রস্ত  দেশের তালিকায় ২ দশমিক ৭ স্কোর নিয়ে বাংলাদেশের অবস্থান  এবার ত্রয়োদশ। গতবারে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল দ্বাদশ। স্কোর ছিল ২ দশমিক ৪। ‘টিআই’-এর এবারের তালিকায় দুর্নীতির শীর্ষে রয়েছে সোমালিয়া ও উত্তর কোরিয়া। দ্বিতীয় স্থানে আছে আফগানিস্তান ও মিয়ানমার। সবচেয়ে কম দুর্নীতিগ্রস্ত দেশ হচ্ছে নিউজিল্যান্ড। উল্লেখ্য, ২০০১ থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ ছিল বিশ্বের ১নং দুর্নীতিগ্রস্ত দেশ।

গত ২০ মাসে দেশে ৩২ জন গুম

গুম ও গুপ্তহত্যা পরিস্থিতি এখন উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে। মাঝেমধ্যেই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পরিচয়ে তরুণ-যুবকদের ধরে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। কয়েকদিন পর কারো লাশ মিলছে, কেউবা নিখোঁজই থাকছে। সরকারী বাহিনী এর দায় নিচ্ছে না। আবার এসব ঘটনার কোন কিনারাও হচ্ছে না। কারা বা কোন সন্ত্রাসী বাহিনী এসব ঘটাচ্ছে, তার কোন তদন্তও হচ্ছে না। ফলে এ নিয়ে জনমনে চরম আতঙ্ক-উৎকণ্ঠা দেখা দিয়েছে। এদিকে মানবাধিকার সংস্থা ‘অধিকার’-এর জরিপ অনুযায়ী  ২০১০ এর জানুয়ারী থেকে ২০ মাসে দেশে ৩২টি গুম ও খুনের ঘটনা ঘটেছে। র‌্যাব সূত্রে জানা গেছে, সারাদেশে  ২০০৮ সালে ৩১৪৬ জন, ২০০৯ সালে ৩২২৩ জন, ২০১০ সালে ২৪৯৯ জন এবং চলতি বছরের আগষ্ট পর্যন্ত ১৮০৯ জন খুন হয়েছে। চলতি বছর র‌্যাব পরিচয়ে ধরে নেয়া ২২ ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করেছে র‌্যাব।

টিপাইমুখ বাঁধ সম্পন্ন করা হবেই

- ড. মনমোহন সিং

ভারতের প্রধানমন্ত্রী ড. মনমোহন সিং বাংলাদেশ সরকারের আপত্তি সত্ত্বেও টিপাইমুখ বাঁধ সম্পন্ন করা হবেই বলে পরিষ্কারভাবে জানিয়ে দিয়েছেন। উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য মণিপুরে গত ৩ ডিসেম্বর এক জনসভায় ভাষণ দিতে গিয়ে মনমোহন সিং একথা বলেন। অথচ ইতিপূর্বে ভারত বরাবরই বলে আসছে, বাংলাদেশের ক্ষতি হয় এমন কিছু ভারত টিপাইমুখে করবে না। এমনকি গত ২ ডিসেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাঁর আন্তর্জাতিক বিষয়ক উপদেষ্টা ড. গওহর রিজভী ও অর্থনৈতিক বিষয়ক উপদেষ্টা ড. মশিউর রহমানকে দিল্লী পাঠান এ বিষয়ে ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী ড. মনমোহন সিংয়ের সঙ্গে বৈঠক করার জন্য। বৈঠকে ড. সিং একই বুলি আওড়ান। বাংলাদেশের প্রস্তাব অনুযায়ী যৌথ সমীক্ষায় ভারত সম্মত আছে বলেও ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী উপদেষ্টাকে জানান। প্রধানমন্ত্রীর দুই উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠককালে ভারতের প্রধানমন্ত্রী একটি নতুন প্রস্তাবও দেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশ চাইলে টিপাইমুখ প্রকল্পে বিনিয়োগ-অংশীদার হতে পারে। বিনিময়ে পেতে পারে বিদ্যুৎ।

তাছাড়া গত ২২ নভেম্বর বিরোধীদলীয় নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া টিপাইমুখ প্রকল্প বাস্তবায়নের আগে বাংলাদেশ-ভারত যৌথ সমীক্ষার পদক্ষেপ নেয়ার আহবান জানিয়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর কাছে চিঠি পাঠান। গত ২৬ নভেম্বর খালেদা জিয়া খুলনা  অভিমুখে রোডমার্চের সময় মনমোহনের দেয়া চিঠির জবাব পান। মনমোহনের চিঠি পাওয়ার ৯ দিন পর বিএনপি গত ৫ ডিসেম্বর এর বিষয়বস্ত্ত প্রকাশ করে। বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, চিঠিতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, টিপাইমুখ প্রকল্প মূলত বন্যা নিয়ন্ত্রণে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে, এটি সেচ প্রকল্প নয়। এ প্রকল্পে ভারত সরকার এমন কিছু করবে না, যার কারণে বাংলাদেশের ক্ষতি হতে পারে।

এদিকে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ টিপাইমুখ বাঁধ ইস্যুতে জাতীয় ঐকমত্য গঠনের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। গত ১০ ডিসেম্বর টিপাইমুখ অভিমুখে জাতীয় পার্টির লংমার্চের প্রথম দিনে সিলেট সরকারী আলিয়া মাদরাসা মাঠে আয়োজিত জনসভায় তিনি এ আহবান জানান। উল্লেখ্য যে, লংমার্চের পূর্বে এরশাদ ২০-২৩ নভেম্বর ৪ দিন ভারত সফর করে আসেন।

গত বছরের চেয়ে অপরাধ বেড়েছে সোয়া ৪ হাযার

দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির বিষয়টি সরকারীভাবে স্বীকার করা হয়েছে। সরকারী তথ্য অনুযায়ী গত বছরের তুলনায় এ বছর অপরাধমূলক কর্মকান্ড ব্যাপক হারে  বেড়ে গেছে। গত বছর যেখানে সারাদেশে বিভিন্ন ধরনের ২৪ হাযার ৮১১টি অপরাধ রেকর্ড করা হয়েছে, সে তুলনায় এবার হয়েছে ২৯ হাযার ৬০টি অপরাধ। অর্থাৎ অপরাধের ঘটনা গতবারের চেয়ে এবার ৪ হাযার ২১৯টি বেশি ঘটেছে। দেশের সার্বিক বিষয় নিয়ে প্রণীত  সরকারের বার্ষিক প্রতিবেদনের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় প্রদত্ত আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অংশে এ চিত্র ফুটে উঠেছে। প্রতিবেদনের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অংশে দেখা গেছে, এ বছর সারাদেশে খুনের ঘটনা ঘটেছে ৩ হাযার ৮৯৯টি। আর সবচেয়ে বেশি ঘটেছে নারী নির্যাতনের ঘটনা। এ বছর ১৭ হাযার ৮১১টি নারী নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া এ বছর ৩ হাযার ৪৫৯টি ধর্ষণ, ৪৬৬টি অগ্নিসংযোগ ও ৮৫টি এসিড নিক্ষেপের ঘটনা ঘটেছে।

বছরে এক লাখ লোক অবৈধভাবে বিদেশে যায়

বাংলাদেশ থেকে প্রতিবছর অন্তত এক লাখ লোক বিদেশে গিয়ে অবৈধভাবে থেকে যাচ্ছে। অসাধু কিছু জনশক্তি রফতানীকারক, ট্রাভেল এজেন্সি ও এই দুই প্রতিষ্ঠানের দালালেরা মোটা অংকের টাকা নিয়ে ছাত্র, পর্যটক, ওমরাহ পালন ও ধর্মীয় পবিত্র স্থান যিয়ারতের নামে এসব লোককে বিদেশে পাঠাচ্ছে। অবৈধ এই অভিবাসনের ফলে বাংলাদেশের বৈধ শ্রমবাজার ক্ষতিগ্রস্ত  হচ্ছে। বৈধ কর্মীরা নানা বিড়ম্বনার শিকার হচ্ছে। অবৈধভাবে থাকার কারণে এসব বাংলাদেশী বিদেশে জেল-যুলুমেরও শিকার হচ্ছে। তারা খরচের টাকাও তুলতে পারে না। বৈধভাবে দেশে টাকাও পাঠাতে পারে না। ফলে ভাগ্য ফেরানোর স্বপ্নও তাদের পূরণ হয় না। ২০১০ সালে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দফতর থেকে আন্তর্জাতিক মানব পাচার বিষয়ক যে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়, তাতে বাংলাদেশকে দ্বিতীয় সারির পর্যবেক্ষণ তালিকায় (ওয়াচলিস্ট ২) রাখা হয়। অবৈধভাবে বিদেশ যাওয়া বন্ধ না হ’লে বাংলাদেশ তৃতীয় সারিতে (সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ টায়ার-৩) নেমে আসতে পারে বলেও আশংকা আছে।

দেশে ১ হাযার ১০১ জন এইডসে আক্রান্ত

দেশে এইডসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়েই চলেছে। গত এক বছরে এই রোগে আক্রান্ত হয়ে ৮৪ জন মারা গেছে। গত এক বছরে নতুন করে ৪৪৫ জনের রক্তে এইচআইভি ভাইরাস পাওয়া গেছে আর এইডসে আক্রান্ত হয়েছে ২৪১ জন। সরকারী হিসাবে বাংলাদেশে এ পর্যন্ত এইচআইভি ভাইরাস সংক্রমিত ব্যক্তির সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২ হাযার ৫৩৩ জনে। এর মধ্যে এইডস রোগে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাযার ১০১ জন, মারা গেছে ৩২৫ জন। স্বাস্থ্যমন্ত্রী অধ্যাপক রুহুল হক জানান, এ বছর নতুন করে আক্রান্তদের মধ্যে ৬৫ শতাংশই পুরুষ, ৩৩ শতাংশ নারী এবং ২ শতাংশ কিশোর-কিশোরী।

[সমকামিতাই এর প্রধান কারণ। অতএব ইসলামী অনুশাসন মেনে চলুন ও সরকার তা কঠোরভাবে বাস্তবায়নের ব্যবস্থা নিন- (স.স.)]

সরকারী চাকরির বয়স দুই বছর বাড়ল

সরকারী চাকরি দুই বছর বাড়ানোর প্রস্তাব মন্ত্রীসভায় অনুমোদিত হয়েছে। ফলে অবসরের বয়সসীমা ৫৭ থেকে ৫৯ বছর হ’ল। গত ১৯ ডিসেম্বর সচিবালয়ে মন্ত্রীসভার বৈঠকে এ সংক্রান্ত ‘দ্য পাবলিক সার্ভিস (রিটায়ারমেন্ট) অ্যাক্ট, ১৯৭৪’ সংশোধনের প্রস্তাব অনুমোদন পায়। সরকারী চাকরি পাওয়ার বয়সসীমা ৩০ বছর করা, মানুষের গড় আয়ু বেড়ে যাওয়া এবং দক্ষ কর্মকর্তা-কর্মচারীর সেবা পাওয়া নিশ্চিত করার জন্য বয়স বাড়ানোর পক্ষে যুক্তি দেখিয়ে মন্ত্রীসভায় আলোচনার প্রেক্ষিতে উক্ত প্রস্তাব পাস হয়। অন্যদিকে পদোন্নতি জটিলতা ও নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির সম্ভাবনার বিষয়টিও বিপক্ষের যুক্তি হিসাবে মন্ত্রীসভায় আলোচিত হয়েছে। তবে প্রধানমন্ত্রী জানান, এক্ষেত্রে কোন সমস্যা সৃষ্টি হবে না।

বিদেশ

ইহুদীবাদী মার্কিন রিপাবলিকান প্রার্থীর অভিনব তত্ত্ব

আরব ভূমিতে ফিলিস্তীনীরা অনাহূত

যুক্তরাষ্ট্রের আসন্ন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রিপাবলিকান দলের মনোনয়ন প্রার্থী নিউট গিনগ্রিচ আরব এলাকায় ফিলিস্তীনীদের ‘অনাহূত’ বলে আখ্যায়িত করেছেন। ইসরাঈল-ফিলিস্তীন বিতর্কে তিনি বলেছেন, ইসরাঈলীরা নয়, ফিলিস্তীনীরা অনাহূত এবং এরা হচ্ছে আরব। নিজ বাসভূমি ছেড়ে ফিলিস্তীনীরা অন্য কোথাও গিয়ে বসবাস করতে পারে বলে মন্তব্য করেন এই কট্টরপন্থী রিপাবলিকান মনোনয়ন প্রার্থী। যুক্তরাষ্ট্রের একটি ইহুদী টেলিভিশন চ্যানেলকে  দেয়া সাক্ষাৎকারে  ফিলিস্তীনীদের সম্পর্কে এই উদ্ভট মন্তব্য করেন তিনি। তিনি দাবী করেন, ফিলিস্তীনীদের নিজেদের কোন দেশ ছিল না। গত শতাব্দীর প্রথম পর্যন্ত তারা সাবেক অটোমান (তুরষ্ক) সাম্রাজ্যের অধীন ছিল।

পাকিস্তানকে বন্ধু ভাবে না মার্কিনীরা

পাকিস্তানকে বেশিরভাগ মার্কিন নাগরিকই এখন আর বন্ধু রাষ্ট্র বলে মনে করে না। সম্প্রতি প্রকাশিত এক জরিপে এ তথ্যই উঠে এসেছে। ন্যাটোর বিমান ও হেলিকপ্টার হামলায় ২৪ পাকিস্তানী সেনা নিহত হওয়ার পর টেলিফোনে যুক্তরাষ্ট্রের ১১৭৬ জন তালিকাভুক্ত ভোটারের মতামতের ভিত্তিতে এই জরিপের ফলাফল তৈরী করা হয়। জরিপে অংশগ্রহণকারী ৫৫ শতাংশই পাকিস্তানকে যুক্তরাষ্ট্রের শত্রু মনে করেন বলে মত প্রকাশ করেছেন। বিপরীতে মাত্র ৭ ভাগ মার্কিন নাগরিক পাকিস্তানকে বন্ধুরাষ্ট্র বলে মনে করার কথা জানিয়েছে। ২৬ ভাগ পাকিস্তানকে বন্ধু বা শত্রু কিছুই মনে করে না। আর বাকী ১২ শতাংশ কোন  মতামত দেয়নি। ‘পোল পজিশন’ নামে যুক্তরাষ্ট্রের একটি নির্বাচনী জরিপ সংস্থা এই জরিপ পরিচালনা করে।

বাংলাদেশ দখল ও মসজিদ গুঁড়িয়ে দেয়ার প্রস্তাব ভারতের সাবেক মন্ত্রীর; হার্ভার্ড থেকে বহিষ্কার

ভারতে অবৈধভাবে অভিবাসী হওয়া বাংলাদেশীদের সংখ্যার অনুপাতে সিলেট থেকে খুলনা পর্যন্ত বাংলাদেশের ভূমি দখল করার প্রস্তাব তুলে ৬ ডিসেম্বর হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কৃত হয়েছেন ভারতের সাবেক মন্ত্রী ও জনতা পার্টির সভাপতি অধ্যাপক সুব্রামনিয়াম স্বামী। গত ১৬ জুলাই ভারতীয় ডেইলি নিউজ এবং এনালাইসিসে (ডিএনএ) প্রকাশিত ‘হাউ টু ওয়াইপআউট ইসলামিক টেরর’ শিরোনামে এক নিবন্ধে তিনি উক্ত প্রস্তাব পেশ করেন। সুব্রামনিয়াম তার নিবন্ধে লিখেছিলেন, ভারতে একটি সাচ্চা হিন্দু দল গঠন করতে হবে এবং মুসলমানদের ভোটাধিকার কেড়ে নিতে হবে। কারণ তাদের পূর্ব পুরুষ হিন্দু ছিলেন- এটা তারা স্বীকার করে না। উত্তর প্রদেশের কাশির জ্ঞানপায়স মসজিদ একটি মন্দিরের উপর নির্মিত দাবী করে ঐ অঞ্চলের ৩ শতাধিক মসজিদ গুঁড়িয়ে দেয়ারও দাবী তোলেন ১৯৯০-৯১ সময়ে ভারতের বাণিজ্যমন্ত্রীর দায়িত্বে থাকা এই রাজনীতিবিদ।

বাংলাদেশের সিলেট থেকে খুলনা পর্যন্ত এলাকা দখলে নিয়ে সেখানে বাংলাদেশী অভিবাসীদের ‘পুনর্বাসনের’ ব্যবস্থা করার জন্য ভারত সরকারের প্রতি আহবান জানান তিনি। দখলে নিতে বলেন কাশ্মীরের পাকিস্তান শাসিত অংশও। সুব্রামনিয়াম আরো প্রস্তাব করেন যে, হিন্দু ধর্ম থেকে কেউ অন্য ধর্ম গ্রহণ করতে পারবে না- এমন একটি বিধি জারী করতে হবে ভারতে।

ভারতে প্রতিবছর দুর্নীতি দ্বিগুণ হচ্ছে

পুরো ভারতে দুর্নীতি ব্যাপকহারে ছড়িয়ে পড়েছে। প্রতিবছর দুর্নীতি বাড়ছে দ্বিগুণেরও বেশী হারে। ভারতের অন্যতম প্রধান গবেষণা প্রতিষ্ঠান দিল্লীর সেন্টার ফর পলিসি রিসার্চের অধ্যাপক অর্থনীতিবিদ দেবরয় ও ভারতের অর্থনীতি পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা ইন্ডিকাস অ্যানালিটিকসের প্রধান লাভিশ ভান্ডারী ‘ভারতের দুর্নীতি : ডিএনএ ও আরএনএ’ শীর্ষক বইয়ে একথা  বলেন।  পরিসংখ্যান দিয়ে দুই অর্থনীতিবিদ বলেছেন, ১৯৯১-এ অর্থনৈতিক সংস্কার শুরু করার পর থেকেই ভারতে বড় ধরনের দুর্নীতি বেড়েছে। ১৯৯০ সালে ভারতে কালো টাকার পরিমাণ ছিল ৩১ হাযার ৫৪৬ কোটি রূপী। ২০০০ সালে তা বেড়ে দাঁড়ায় এক লাখ ৯৫ কোটি রূপী। তার ১০ বছর পর ২০১০ সালে কালো টাকার পরিমাণ অনেক বেড়ে দাঁড়িয়েছে চার লাখ ৬১ হাযার ৫৪৮ কোটি রূপী।

ভারতে ছাত্রদের আত্মহত্যার প্রবণতা বাড়ছে

ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লীতে প্রতি ১৭ ঘণ্টায় এক ব্যক্তি আত্মহত্যা করছে। দেশটির ‘ন্যাশনাল ক্রাইম রেকর্ডস ব্যুরো’ (এনসিআরবি)-এর প্রকাশিত এক রিপোর্টে এ তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। ২০০৬ সালের তুলনায় ২০১০ সালে আত্মহত্যার প্রবণতা অনেক বেড়েছে। মনস্তত্ত্ববিদ এবং উপদেষ্টাদের মতে তরুণ প্রজন্ম বেশ বুদ্ধিমান, কিন্তু পরিপক্ব নয়। আর তাই বিগত চার বছরে ছাত্রদের মাঝে আত্মহত্যা প্রবণতা ২৬ শতাংশ বেড়েছে। বহু ছাত্র কর্মসংস্থানের অভাবে এবং নানাবিধ চাপের কারণে আত্মহত্যা করছে। এনসিআরবি’র পরিসংখ্যান মতে, ভারতে গত বছর ৯৩ হাযার ২০৭ জন পূর্ণবয়ষ্ক ব্যক্তি আত্মহত্যা করেছে।

নেদারল্যান্ডসের গির্জায় হাযার হাযার শিশু যৌন নিপীড়নের শিকার

নেদারল্যান্ডসের ক্যাথলিক গির্জায় হাযার হাযার শিশু যৌন নিপীড়নের শিকার হচ্ছে বলে দেশটির  তদন্ত কমিটি সম্প্রতি জানিয়েছে। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ১৯৪৫ সাল থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত দেশটির গির্জায় লাখ লাখ  শিশু যৌন নিপীড়নের  শিকার হয়েছে। ঐসব শিশুর  ওপর খৃষ্টান পাদ্রী অথবা তাদের সহযোগীরা ধর্ষণসহ নানা ধরনের যৌন নিপীড়ন চালিয়েছে। নেদারল্যান্ডস ছাড়াও বিশ্বের বিভিন্ন দেশে খৃষ্টান গির্জায় পাদ্রীদের যৌন নিপীড়নের ঘটনা ঘটছে বলে বিভিন্ন গণমাধ্যম খবর দিয়েছে।

[চিরকুমার থেকে সাধু সাজবার ভান করার নোংরা পরিণতি এগুলো। অতএব বানোয়াট ধর্ম ত্যাগ করে স্বভাবধর্ম ইসলামে ফিরে এসে সুন্দর জীবন যাপন করার আহবান জানাই খৃষ্টান পোপ-পাদ্রীদের প্রতি- (স.স.)]

খরা ও শস্যের অভাবে আফ্রিকায় ৯০ লাখ মানুষ খাদ্য সংকটে পড়বে

খরা, শস্যহীনতা, খাদ্যপণ্যের উচ্চমূল্য ও প্রবাসীদের অর্থ পাঠানো ক্রমশ হরাস পাওয়ায় আগামী ২০১২ সালে আফ্রিকার সাহেল অঞ্চলের পাঁচটি দেশের ৯০ লাখেরও বেশি মানুষ খাদ্য সংকটের মুখোমুখি হবে। ত্রাণ সংস্থা ‘অক্সফাম’ এ তথ্য জানিয়েছে। সাহেল অঞ্চলের ঐ দেশগুলো হ’ল মৌরিতানিয়া, নাইজার, বারকিনা ফাসো, মালি ও চাদ। সাহেল অঞ্চলের দেশগুলোর কয়েকটি প্রধান খাদ্যশস্যের মূল্য গত পাঁচ বছরের গড় মূল্যের তুলনায় ৪০ শতাংশ বেড়ে গেছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি। সেখানে দিনপ্রতি প্রায় ২৫ লাখ টন খাদ্যশস্যের ঘাটতি রয়েছে। গত বছরের তুলনায় চাদ ও মৌরিতানিয়ায় খাদ্যশস্যের উৎপাদন প্রায় ৫০ শতাংশ হরাস পেয়েছে। তবে দেশগুলোর মধ্যে নাইজারের অবস্থায়ই সবচেয়ে সংকটজনক। দেশটির প্রায় অর্ধেক মানুষ অর্থাৎ ৬০ লাখ মানুষ খাদ্য সংকটে মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রে ক্ষুধার্তের সংখ্যা বাড়ছে

যুক্তরাষ্ট্রে চলমান অর্থনৈতিক সংকটের কারণে অনেক শহরেই গত বছর ক্ষুধার্ত মানুষের সংখ্যা বেড়েছে এবং আগামী  বছর তা আরো বাড়ার আশংকা করা হচ্ছে। ২৯টি শহরে জরিপ চালিয়ে দেখা গেছে, বেশিরভাগ শহরেই গত বছর ক্ষুধার্ত মানুষের সংখ্যা বেড়েছে। তাছাড়া শহরগুলোতে গৃহহীন মানুষের সংখ্যাও গড়ে ৬ শতাংশ বেড়েছে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত নভেম্বর ২০১১-এ যুক্তরাষ্ট্রে বেকারত্বের হার ছিল ৮ দশমিক ৬ শতাংশ। জরিপে আরো দেখা গেছে, দুর্দশাগ্রস্ত শহরগুলোর ৮৬ শতাংশই গত বছর যরূরী খাদ্য সহায়তার আহবান জানিয়েছিল।

রুয়ান্ডার গণহত্যার মূল হোতাদের যাবজ্জীবন কারাদন্ড

জাতিসংঘ পরিচালিত একটি যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল রুয়ান্ডার গণহত্যার জন্য দায়ী দুই অভিযুক্তকে যাবজ্জীবন কারাদন্ডে দন্ডিত করেছে। দন্ডপ্রাপ্ত এই দুই ব্যক্তিকে ১৯৯৪ সালে রুয়ান্ডায় গৃহযুদ্ধে সংঘটিত ব্যাপক গণহত্যার মূল পরিকল্পনার সঙ্গে জড়িত ছিলেন বলে দায়ী করা হয়। ম্যাথিউ এনজিরাম্পসে এবং এডুয়ার্ড কারেমেরা নামের দন্ডপ্রাপ্ত এই দুই ব্যক্তি রুয়ান্ডার সাবেক ক্ষমতাসীন দল ন্যাশনাল রেভ্যুলুশনারী মুভমেন্ট ফর ডেভেলপমেন্ট (এনআরএমডি)-এর শীর্ষস্থানীয় নেতা।

উল্লেখ্য, ১৯৯৪ সালে রুয়ান্ডার গৃহযুদ্ধে জাতিগত নিধন অভিযান চালানো হয়। পৃথিবীর আধুনিক ইতিহাসের অন্যতম মর্মান্তিক এই গণহত্যায় দেশটিতে মাত্র ১০০ দিনের ভেতরে প্রায় ৮ লাখ জাতিগত তুতসি এবং হুতু সম্প্রদায়ভুক্ত নর-নারী নিহত হয়।

বছরে সোয়া কোটি হেক্টর আবাদী জমি মরুকরণের শিকার

প্রতি বছর বিশ্বের ১ কোটি ২০ লাখ হেক্টর আবাদী জমি মরুকরণের শিকার হচ্ছে। এ প্রবণতা অব্যাহত থাকলে আফ্রিকার দুই-তৃতীয়াংশ আবাদী জমি মরুভূমিতে পরিণত হবে। জাতিসংঘ সূত্রে জানা গেছে, বিশ্বের ১১০টির বেশি দেশে আবাদী জমির  মরুকরণ ঘটেছে। আফ্রিকায় মরুকরণ-প্রভাবিত ভূমির আয়তন ১ বিলিয়ন হেক্টর এবং এশিয়ায় ১.৪ বিলিয়ন হেক্টর। উত্তর আমেরিকায় মরুকরণের শিকার ভূমির পরিমাণ পতিত জমির ৭৪ শতাংশ।

দশ হাযার মার্কিন সেনা আফগানিস্তান ছেড়েছে

আফগানিস্তান থেকে স্থায়ীভাবে ১০ হাযার মার্কিন সেনা প্রত্যাহার করা হয়েছে। এর ফলে আফগানিস্তানে অবশিষ্ট মার্কিন সেনা সংখ্যা ৯১ হাযারে দাঁড়িয়েছে। গত ১৮ ডিসেম্বর ইরাক থেকে মার্কিন সেনা সম্পূর্ণভাবে প্রত্যাহারের এক সপ্তাহ পর আফগানিস্তান থেকে মার্কিন সেনা সংখ্যা কমানো হ’ল। ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে আফগানিস্তান থেকেও সব মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের কথা রয়েছে। এদের মধ্যে আগামী গ্রীষ্মের শেষ নাগাদ ২৩ হাযার সেনা সরিয়ে নেবে বলে মার্কিন প্রশাসন ঘোষণা করেছে। আফগানিস্তানের তালেবান সরকার উৎখাত ও আল-কায়েদা গোষ্ঠীকে নির্মূল করার লক্ষ্যে ইঙ্গোমার্কিন বাহিনী ২০০১ সালে দেশটি দখল করে নিয়েছিল।

 

মুসলিম জাহান

ইরাক থেকে সকল মার্কিন সেনা প্রত্যাহার

যুক্তরাষ্ট্র গত ১৮ ডিসেম্বর ইরাক থেকে তাদের সব সেনা প্রত্যাহার করে নিয়েছে। এর ফলে ৯ বছরের ইরাক যুদ্ধের পরিসমাপ্তি ঘটল। কিন্তু পড়ে রইল রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা ও জাতিগতভাবে বিভক্ত অনিশ্চিত এক ইরাক। মার্কিন বাহিনীর প্রায় ১১০টি গাড়ির একটি বহর গত ১৮ ডিসেম্বর স্থানীয় সময় রাত আড়াইটার দিকে দক্ষিণাঞ্চলীয় নাসিরিয়া শহরের ইমাম আলী ঘাঁটি থেকে বের হয়। ঐ বহরে ছিল মার্কিন ফাস্ট ক্যাভালরি ডিভিশনের থার্ড ব্রিগেডের প্রায় ৫০০ সেনাসদস্য। মরুভূমির ভেতর দিয়ে প্রায় পাঁচ ঘণ্টার পথ পেরিয়ে সকাল সাড়ে সাতটার দিকে গাড়ি বহরটি ইরাক সীমান্ত অতিক্রম করে কুয়েতে ঢোকে। এখন ইরাকের মার্কিন দূতাবাসের নিরাপত্তায় কেবল সেখানে ১৫৮ জন সেনাসদস্য রয়ে গেছে। উল্লেখ্য, ইরাকের পাঁচ শতাধিক ঘাঁটিতে সর্বোচ্চ এক লাখ ৭০ হাযার মার্কিন সেনা নিয়োজিত ছিল। এর আগে দীর্ঘ নয় বছর পর ইরাকের রাজধানী বাগদাদে শেষ মার্কিন পতাকাটি নামায় যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী। গত ১৫ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার এই পতাকা নামানোর মাধ্যমে ইরাকে মার্কিন অভিযানের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটে। যুদ্ধে আমেরিকার খরচ হয় ৩৫ হাযার কোটি ডলার। এতে প্রায় ১০ লাখ ইরাকী নিহত হয়েছে এবং পঙ্গু ও উদ্বাস্ত্ত হয়েছে কয়েক মিলিয়ন। তাছাড়া এতে প্রায় সাড়ে চার হাযার মার্কিন সেনা নিহত হয়েছে।

প্রথম পশ্চিমা রাষ্ট্রের স্বীকৃতি পেল ফিলিস্তীন

ইউরোপের প্রথম দেশ হিসাবে আইসল্যান্ড ফিলিস্তীনকে স্বাধীন রাষ্ট্রের স্বীকৃতি দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। গত ২৯ নভেম্বর ফিলিস্তীনকে  স্বাধীন এবং সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসাবে স্বীকৃতির পক্ষে উত্থাপিত একটি প্রস্তাব পার্লামেন্টে ৬৩-৩৮ ভোটে পাস হয়েছে। ১৯৬৭ সালে আরব-ইসরাঈল যুদ্ধের সময়কার সীমানার ভিত্তিতে ফিলিস্তীন ভূখন্ড গঠিত হওয়ার পক্ষে পার্লামেন্ট সদস্যরা ভোট দিয়েছেন।

আরো ৫৫০ ফিলিস্তীনী বন্দীকে মুক্তি দিল ইসরাঈল : ইসরাঈল গত ১৮ ডিসেম্বর আরো ৫৫০ ফিলিস্তীনী বন্দীকে মুক্তি দিয়েছে। ইসরাঈলী সেনা গিলাদ শালিতের মুক্তির বিনিময়ে গত অক্টোবরের চুক্তি অনুযায়ী দ্বিতীয় দফায় এই বন্দীদের মুক্তি দেয়া হ’ল। দুই মাস আগে প্রথম দফায় ৪৭৭ বন্দীকে মুক্তি দিয়েছিল ইসরাঈল।

কাশ্মীরে ভারতীয় বাহিনীর বর্বরতায় ২২ বছরে ৯৩ হাযারের বেশি নিহত

ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরে ১৯৮৯ সাল থেকে এ পর্যন্ত ভারতীয় বাহিনীর বর্বরতায় ৯৩ হাযারেরও বেশি সাধারণ মানুষ প্রাণ হারিয়েছে বলে কাশ্মীর মিডিয়া সার্ভিসের গবেষণা শাখা জানিয়েছে। এদের মধ্যে প্রায় ৭ হাযার ব্যক্তি বন্দী অবস্থায় নিহত হয়েছেন। ঐ প্রতিবেদনে আরো বলা হয়েছে, ঐ একই সময়ে ভারতীয় বাহিনীর হাতে ১০ হাযারেরও বেশি নারী নির্যাতিত হয়েছে।

ইরাকে দশ লাখ বিধবা

ইরাকে ১০ লাখ বিধবা মানবেতর জীবন যাপন করছে। ইরাক জুড়ে এখন তাদের হাহাকার। মাসে সরকারী সাহায্য ৮০ মার্কিন ডলার দিয়ে সন্তান নিয়ে দিনাতিপাত করা তাদের জন্য প্রায় অসম্ভব। ১৯৮০-এর দশকে ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ, ১৯৯১-এ কুয়েত দখল ও যুদ্ধ, দেশের ভিতর কুর্দীদের সঙ্গে সংঘাত এবং সবশেষ ২০০৩ সালে ইরাকে মার্কিন বাহিনী ও তার মিত্রদের আগ্রাসী হামলায় বিধবাদের সংখ্যা এ পর্যন্ত গিয়ে পৌঁছেছে।

তিউনিসিয়ায় আন-নাহযাহ পার্টির বিজয়; মারযূকী নতুন প্রেসিডেন্ট

প্রায় ১০ মাস আগে তিউনিসিয়ায় ঘটে যায় তথাকথিত ‘জেসমিন বিপ্লব’। বিপ্লবের শেষদিকে অবস্থা বেগতিক দেখে প্রেসিডেন্ট যায়নুল আবেদীন বিন আলী জানুয়ারীর ১৪ তারিখ সঊদী আরব পালিয়ে যান। তারপর মাত্র ৯ মাসের মধ্যে গত ২৩শে অক্টোবর দেশটিতে হয়ে গেল প্রথম সাধারণ নির্বাচন। প্রথম সাংবিধানিক পরিষদ নির্বাচনে আনুষ্ঠানিকভাবে দীর্ঘদিন ধরে নিষিদ্ধ মধ্যপন্থী ইসলামিক দল ‘আন-নাহযাহ’কে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়। উক্ত ফলাফলে দেখা যায়, নাহযা ৪১ শতাংশেরও বেশি ভোট পেয়ে মোট ২১৭টি আসনের মধ্যে ৯০টি আসনে জয়ী হয়েছে। দেশের সবচেয়ে বড় ধর্মনিরপেক্ষ দল কংগ্রেস প্রজাতন্ত্র (সিপিআর) ১৪ শতাংশের কাছাকাছি ভোট পেয়ে ৩০টি আসন জিতেছে। আর ১০ শতাংশ ভোটে ২১টি আসন নিয়ে তৃতীয় হয়েছে বামপন্থী ইত্তাকাতোল। আনুষ্ঠানিক ফলাফল ঘোষণার পর আন-নাহযার প্রধান রশীদ ঘানুসি বলেন, ‘নতুন কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে তিউনিসিয়ার প্রত্যেক নাগরিকের অধিকার রক্ষা করা হবে’। নাহযা পার্টির এক মুখপাত্র বলেন, তারা ক্ষমতায় গেলে তিউনিসিয়াকে মধ্যপ্রাচ্যের সবচেয়ে উদার গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে পরিণত করবে। মাদক নিষিদ্ধ করা হবে না বা বিদেশীদেরকে সমুদ্র সৈকতে বিকিনি পরিধান নিষিদ্ধ করা হবে না। ইসলামী ব্যাংকিংকে বাধ্যতামূলক করা হবে না। কেননা তাঁর মতে তিউনিসিয়া সবার দেশ। রশীদ ঘানুসির ভাষায়- ‘এখানে আল্লাহ, মুহাম্মাদ (ছাঃ), নারী, পুরুষ, ধার্মিক, অধার্মিক নির্বিশেষে সকলের অধিকার নিশ্চিত করা হবে, যেহেতু তিউনিসিয়া সকলের’।

মারযূকী তিউনিসিয়ার নতুন প্রেসিডেন্ট : বিপ্লব-পরবর্তী তিউনিসিয়ায় গত ১২ ডিসেম্বর দেশটির প্রথম প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছেন মুনছেফ মারযূকী (৬৬)। স্বাধীনতার পর দেশটির দুই একনায়ক হাবীব বুরকিবা ও সর্বশেষে ক্ষমতাচ্যুত শাসক বিন আলীর দেশে মারযূকীই হলেন প্রথম গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট। ১২ ডিসেম্বর পার্লামেন্টে অনুষ্ঠিত ঐ নির্বাচনে তিনি ২১৭ ভোটের মধ্যে ১৫৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন।

[একে আদৌ ইসলামী দল বলা উচিত নয়। বরং এদের হাতেই ইসলাম সবচেয়ে বেশী ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তাদের এই বিজয় মূলতঃ বিগত সরকারের যুলুমের বিরুদ্ধে নেগেটিভ বিজয় এবং নতুনের স্বাদ গ্রহণের আবেগের বিজয় মাত্র- (স.স.)]

মরক্কোয় ইসলামপন্থী দল পিজেডির জয়লাভ; প্রধানমন্ত্রী বিন কিরানে

মরক্কোর সংসদ নির্বাচনে ইসলামপন্থী ‘জাস্টিস এন্ড ডেভেলপমেন্ট পার্টি’ বা পিজেডি জয়লাভ করেছে। ২৫ নভেম্বর অনুষ্ঠিত নির্বাচনে পিজেডি ১০৭টি আসন পেয়েছে অর্থাৎ মরক্কোর সংসদের ৩৯৫টি আসনের মধ্যে এক চতুর্থাংশ আসনে তারা বিজয়ী হয়েছে। এ সংখ্যাগরিষ্ঠতার কারণে জাস্টিস পার্টির প্রধান আব্দুল্লাহ বিন কিরানেকে দেশটির প্রধানমন্ত্রী হিসাবে গত ২৯ নভেম্বর নিয়োগ দিয়েছেন রাজা ষষ্ঠ মুহাম্মাদ। নির্বাচনে বিদায়ী প্রধানমন্ত্রী আববাস আল-ফাসির নেতৃত্বাধীন ন্যাশনালিস্ট পার্টি ৪৫টি আসন পেয়ে দ্বিতীয় স্থানে আছে। মরক্কোর তিনটি রাজনৈতিক দল মিলে ‘সেক্যুলার ফ্রন্ট’ নামে জোট গঠন করেছিল। এ ফ্রন্ট নির্বাচনে ১১৭টি আসন পেয়েছে। নির্বাচনে মোট প্রার্থী ছিলেন সাত হাজার। আর যেসব দল সাধারণ নির্বাচনে অংশ নিয়েছে তারা দেশটির রাজতন্ত্র অব্যাহত থাকার বিষয়টি মেনে নিয়েছে। ফলে অন্যান্য দলের সঙ্গে পিজেডির জোট সরকার গঠন করা ছাড়া কোনো বিকল্প নেই।

পিজেডির প্রধান আব্দুল্লাহ বিন কিরানে বলেছেন, গণতন্ত্র ও সুশাসন নিশ্চিত করতে অন্য দলগুলোকে নিয়ে জোট সরকার গঠন করা হবে। পিজেডি ঘোষণা দিয়েছে, তারা ইসলামের কোনো বিধান চাপিয়ে দেবে না। বরং তারা ইসলামী অর্থনীতি অনুসরণ করে দেশকে উন্নয়ন, অধিকতর সমবণ্টন এবং দারিদ্র্য বিমোচনের চেষ্টা করবে। তবে মাদক এবং মহিলাদের পর্দার মত বিষয়গুলোতে তারা কোন মতামত দেবে না। কেননা মরক্কো পর্যটকদের জন্য একটি আকর্ষণীয় স্থান। যদিও ইতিপূর্বে তারা সমাজে ইসলামী মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দিয়েছিল। তারা শাসনতান্ত্রিক রাজতন্ত্র মেনে নিয়েছে। এ ব্যবস্থায় বাদশাহ কেবল শাসনতান্ত্রিক প্রধান হবেন। দেশ পরিচালনা করবে পার্লামেন্ট এবং মন্ত্রীসভা।

মিসরে ইসলামপন্থী দলগুলোর একচেটিয়া সাফল্য

মিসরে সংসদ নির্বাচনের তিন দফার প্রথম দফা অনুষ্ঠিত হয়েছে গত ২৮-২৯ নভেম্বর। ৬০ বছরের মধ্যে দেশটিতে এটিই প্রথম অবাধ নির্বাচন। নির্বাচন হাইকমিশনের প্রধান আব্দুল মোয়েয ইবরাহীম বলেন, ‘ফেরাঊন থেকে আজ পর্যন্ত এটিই সর্ববৃহৎ নির্বাচন। এর আগে কখনোই ৬২ শতাংশ লোক কোনো নির্বাচনে ভোট দেয়নি’। নির্বাচনে মিসরের জনপ্রিয় ইসলামী দল ‘মুসলিম ব্রাদারহুড’ নিয়ন্ত্রিত ‘ফ্রীডম এন্ড জাস্টিস পার্টি’ ৩৭% ভোট পেয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে গঠিত সালাফী সংগঠন ‘আন-নূর’ পার্টি ২৪% ভোট পেয়ে ২য় স্থানে রয়েছে। এছাড়া ধর্মনিরপেক্ষ সোশ্যাল ডেমোক্র্যাটিক পার্টি লাভ করেছে ১৩% ভোট এবং মধ্যপন্থী আল-ওয়াসাত ৪.২৭ শতাংশ ভোট পেয়েছে। ৬০%-এর বেশী ভোট পাওয়ায় নির্বাচনে ইসলামপন্থী জোট নিশ্চিতভাবেই একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে যাচ্ছে। কেননা এখনো পর্যন্ত দেশের যে দুই-তৃতীয়াংশ অঞ্চলে নির্বাচন হয়নি সেসব অঞ্চলের অধিকাংশ ভোটারই ইসলামপন্থী দলগুলোর সমর্থক। আগামী ১১ জানুয়ারীতে পরবর্তী দফা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

এদিকে ব্যাপক গণআন্দোলনের মুখে দেশটির ক্ষমতাসীন সামরিক কাউন্সিল অন্তর্বর্তীকালীন প্রধানমন্ত্রী হিসাবে কামাল আল-গানজৌরিকে নিয়োগ দিয়েছে। এর আগেও তিনি হুসনী মুবারকের শাসনামলে মিসরের প্রধানমন্ত্রী হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তার নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার গত ৭ ডিসেম্বর রাজধানী কায়রোর এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানে শপথ নিয়েছে। সামরিক শাসক হুসাইন তানতাবী মন্ত্রীদের শপথ পাঠ করান। মিসরের ক্ষমতাসীন সামরিক পরিষদ দাবী করেছে, দেশটিতে চলমান নির্বাচনের মাধ্যমে গঠিত পার্লামেন্ট এককভাবে মিসরের  জন্য নতুন সংবিধান প্রণয়ন করবে না; বরং সামরিক সরকার সংবিধান প্রণয়নের কাজ নিয়ন্ত্রণ করবে। অথচ নির্বাচনের মাধ্যমে গঠিত পার্লামেন্ট দেশটির জন্য সংবিধান প্রণয়নের লক্ষ্যে ১০০ সদস্যের একটি সাংবিধানিক আইনসভা গঠন করার কথা আছে। সেনা পরিষদ আরো দাবী করেছে, দেশটিতে চলমান পার্লামেন্ট নির্বাচনের প্রাথমিক ফলাফলে মিসরের  জনগণের প্রকৃত মতামত প্রতিফলিত হয়নি।

[এইসব নামকাওয়াস্তে ইসলামী দল কখনোই জনগণের ইসলামী আকাংখা পূরণ করবে না। বরং আপোষকামিতার চোরাবালিতে এদের হাতেই জনগণের ইসলামী আকাংখাকে হত্যা করা হবে- (স. স.)]

 

বিজ্ঞান ও বিস্ময়

 ঘুম তাড়াতে ডিম

সম্প্রতি ক্যামব্রিজ ইউনিভার্সিটির এক গবেষণায় দেখা গেছে, ডিমের সাদা অংশে এমন এক ধরনের প্রোটিন আছে যা আমাদের দিনভর সতেজ রাখে এবং ক্লান্তি ও তন্দ্রাকে দূরে রাখে। আমাদের দিনভর সতেজ রাখার জন্য মস্তিষ্কে এক ধরনের সেল সবসময় সক্রিয় রাখে। এই সেলের নাম ‘ওরেক্সিন সেল’। গবেষকরা জানান, দিনভর একটানা কাজ এবং নানান দুশ্চিন্তার কারণে স্থির হয়ে যায় এই সেল। যার কারণে কাজের ফাঁকে কিংবা খাবারের পর ঘুম চলে আসে এবং ক্লান্তি দেহকে পেয়ে বসে। এ ক্লান্তি দূর করার জন্য একটি সহজ উপায় বের করতে গিয়ে ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা বিভিন্ন খাদ্য নিয়ে গবেষণার পর দেখেন ডিমের সাদা অংশে এক ধরনের অ্যামিনো এসিড আছে, যা আমাদের দিনভর সতেজ এবং ক্লান্তিহীন রাখে। এছাড়াও আমরা সারাদিন যেসব খাদ্য খেয়ে থাকি সেসব খাদ্যের গ্লুকোজ ঐ ওরেক্সিন সেলে এক ধরনের ব্লকেজ তৈরী করে। কিন্তু অ্যামিনো এসিড গ্রহণ করলে গ্লুকোজ আর ব্লক তৈরী করতে পারে না। তাই তন্দ্রা ও ক্লান্তি কাটাতে কাজ থেকে ঘন ঘন বিরতি না নিয়ে একেবারে দিনের শুরুতেই নাশতায় ডিম খেয়ে নেয়া যায়। এতে ক্লান্তি ও তন্দ্রা আসবে না, আর স্থূলতার চিন্তাও কমে যাবে।

ডিমে বাড়ে স্মৃতিশক্তি : বোস্টন ইউনিভার্সিটির স্কুল অব মেডিসিনের গবেষক রোডা আউ এবং তার দল গত ১০ বছর ধরে ডিম এবং এর পুষ্টিগুণ নিয়ে গবেষণা করে ডিমে ‘কোলেন’ নামে নতুন এক ধরনের পুষ্টিকর উপাদান খুঁজে পেয়েছেন। এই উপাদান স্মৃতিশক্তিকে শাণিত করে। গবেষণায় দেখা গেছে, ১৪০০ বৃটিশের মধ্যে যারা নিয়মিত সকালের নাশতায় ডিম খাওয়ার অভ্যাস করেছেন তাদের স্মৃতিশক্তি  বাকীদের চেয়ে অনেক তুখোড়।

মেশিনে তৈরি হচ্ছে কৃত্রিম ত্বক

সারা মানবদেহকে আবৃত করে রাখা চামড়া বা ত্বককে এবার কৃত্রিমভাবে গবেষণাগারে তৈরি করছেন জার্মানির ফ্রাউনহফার ইনস্টিটিউটের টিস্যু ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের বিজ্ঞানীরা। ভবিষ্যতে ত্বকের  ক্যান্সার রোধে তাদের এই প্রচেষ্টা যুগান্তকারী পরিবর্তন নিয়ে আসবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। মানবদেহের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের মধ্যে সবচেয়ে বড় হচ্ছে ত্বক। একটি মানব ত্বকের আকার দুই বর্গমিটার পর্যন্ত হতে পারে এবং সারা দেহের শতকরা ১৬ ভাগ ওযন হচ্ছে এই চামড়া বা ত্বকের। মানব শরীরের এক বর্গইঞ্চি ত্বকে রয়েছে সাড়ে ছয়শ’ ঘামের গ্রন্থি, ২০টি উপশিরা, ৬০ হাযার মেলানোসাইটিস এবং এক হাযারেরও বেশি স্নায়ুতন্তু।

ইনস্টিটিউটের টিস্যু ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রধান প্রফেসর হাইকে ওয়ালেসের নেতৃত্বে এই টিস্যু ফ্যাক্টরির কাজ চলছে। সেখানে কৃত্রিম ত্বক তৈরির পাশাপাশি একে কীভাবে আরও উন্নত করা যায়, সেটা নিয়েও গবেষণা চলছে। এখন পর্যন্ত তারা দুই স্তরবিশিষ্ট কৃত্রিম ত্বক তৈরি করতে পেরেছেন। তবে ভবিষ্যতে হয়তো পুরোপুরি মানব ত্বকের হুবহু ত্বকই তারা তৈরি করতে পারবেন।

অন্ধত্ব দূর করবে গাঁদাফুল

গাঁদাফুলের নির্যাস থেকে তৈরী এক ধরনের বিশেষ ওষুধ বৃদ্ধ বয়সের অন্ধত্ব দূর করতে সাহায্য করবে। এই ফুলের নির্যাসে আছে এক ধরনের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা এজ-রিলেটেড ম্যাকুলার ডিজেনারেশন’র (এএমডি) বিরুদ্ধে লড়াই করে। এজ-রিলেটেড ম্যাকুলার ডিজেনারেশন হল বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দৃষ্টিশক্তি ক্ষীণ হয়ে যাওয়া, চোখে  ঝাপসা দেখা, মানুষ চিনতে ভুল করা, রঙের পরিচিতি ভুলে যাওয়া।